বাংলাদেশের চরাঞ্চলের মানুষের জীবনপ্রণালির ওপর গবেষণা করতে গিয়ে একদল সমাজকর্মী হাজারো সামাজিক সমস্যায় জর্জরিত ভোলার ঢালচরের মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তারা এসব মানুষকে সমস্যা থেকে মুক্ত করতে তাদের নিজস্ব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারে সহযোগিতা করে। ফলাফল হিসেবে দেখা যায়, তাদের এ কাজে ঐ অঞ্চলের মানুষ সম্পদ, সেবা এবং সুযোগকে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়। এর ফলে তাদের
জীবনমানেও আসে পরিবর্তন।
উদ্দীপকের বর্ণনায় সমাজকর্মের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত রয়েছে।
সমাজকর্মের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো সামাজিক ভূমিকা পালনের জন্য সমাজের প্রতিটি স্তরের জনগণকে সক্রিয় ও সক্ষম করে তোলা এবং অনুকূল সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে বর্ণিত গবেষণাকর্মীদের কাজে এ উদ্দেশ্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের ভোলা জেলার ঢালচর অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একদল সমাজকর্মী কাজ করছে। তারা ঐ অঞ্চলের মানুষকে নিজস্ব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে তোলে। তাদের এ কাজে সমাজকর্মের চারটি লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। এগুলো হলো- জনগণের সমস্যা সমাধানে উপযোজন ক্ষমতার উন্নয়ন; সম্পদ, সেবা, ও সুযোগের সাথে মানুষের সংযোগ ঘটানো; মানুষের হৃতক্ষমতা পুনরুদ্ধার ও কার্যকর ভূমিকা পালনে তাদেরকে সক্ষম করে তোলা এবং ব্যক্তিগতও সামাজিক সম্পদের সর্বোচ্চ সমাবেশ ঘটানো। উদ্দীপকের গবেষণাকর্মীদের কাজে সমাজকর্মের উল্লিখিত লক্ষ্য-উদ্দেশ্যগুলোই খুঁজে পাওয়া যায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?